Showing posts with label ধর্ম. Show all posts
Showing posts with label ধর্ম. Show all posts

Thursday, September 24, 2015

হিন্দু দেব-দেবীর বিরুদ্ধে কুৎসা রটালে জিভ কেটে নেয়ার হুমকি রাম সেনার

ভারতে হিন্দু দেব-দেবীর বিরুদ্ধে কুৎসা করা হলে জিভ কেটে নেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছে ডানপন্থি উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংস্থা রাম সেনা। সংগঠনের কর্ণাটক রাজ্যের কো-অর্ডিনেটর সিদ্দালিঙ্গা স্বামী এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘লক্ষ লক্ষ মানুষ আমাদের ধর্মীয় গ্রন্থ রামায়ণ, মহাভারতকে পবিত্র গ্রন্থ বলে মনে করেন। যদি দেব-দেবী নিয়ে কুৎসা লেখা হয় তা মানুষ কখনোই সহ্য করবে না। হিন্দু দেব-দেবতাদের অপমান করা থেকে লেখকরা বিরত না হলে সাধারণ মানুষ তাদের জিভ কেটে ফেলবে।’     গত ৩০ আগস্ট কর্ণাটক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর এম এম কালবুর্গি দুষ্কৃতকারীদের গুলিতে নিহত হন। নিহত কন্নড় গবেষক এম এম কালবুর্গি ধর্মীয় কট্টরপন্থা এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে অনেকবার আওয়াজ তোলায় তিনি বিভিন্ন হিন্দু মৌলবাদী সংগঠনের টার্গেট হয়েছিলেন। তিনি মূর্তিপূজোর বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করায় মৌলবাদীরা তার তীব্র বিরোধিতা করে।   বজরং নেতা ভুভিত শেঠি কালবুর্গি হত্যায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে  টুইট করে লেখেন, ‘প্রথমে ইউ আর অনন্তমূর্তির পর এবার এম এম কালবুর্গি। হিন্দু ধর্মকে ছোট করলে কুকুরের মতোই মরতে হবে। কে এস ভগবান এবার  আপনার পালা।’   গত রোববার রাম সেনার এক নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে লেখকদের হুমকি দেয়ার অভিযোগ ছিল। যদিও সংগঠনের নেতা প্রমোদ মুতালিকের দাবি, ধৃত ব্যক্তি তাদের কেউ নন।   উগ্র হিন্দুত্বের সমালোচনা করায় গেরুয়া শিবিরের টার্গেটে পরিণত হন মহীশূর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক কে এস ভগবান। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বিশ্বেশ্বর তীর্থ স্বামীকে হিন্দু শাস্ত্র নিয়ে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ জানানোয় হুমকির মুখে পড়েছেন তিনি।   সংবাদে প্রকাশ, কে এস ভগবান এক টিভি চ্যানেলে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন রাম এবং কৃষ্ণকে পুজো করা উচিত নয়। কারণ, তারা মানবীয় মুল্যবোধ অনুসরণ করেননি।-আইআরআইবি

কাবাঘরের চাবি by আসিফ হাসান

কাবা আল্লাহর ঘর। এই ঘরকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করার চেষ্টা সবসময়ই দেখা গেছে। এই ঘরের সেবা অত্যন্ত সোয়াবের কাজ বিবেচিত হয়ে আসছে। ফলে অনেকবারই এর সৌন্দয় বাড়ানোর কাজ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই কাবাঘরের দরজা সোনা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
১৩৯৬ হিজরিতে বাদশাহ খালেদ ২৮৬ কেজি সোনা দিয়ে বর্তমান দরজাটি তৈরি করেছেন। এতে আল্লাহপাকের নাম এবং কোরআনের আয়াত লেখা রয়েছে। কাবা শরিফের দরজাটিতে দুটি অংশ রয়েছে। মাঝখানে তালা আছে।
কাবাঘরের দরজা
এই তালার চাবি কটি বিশেষ বনু তালহা গোত্রের গোত্রের কাছে থাকে। প্রাচীন কাল থেকেই তাদের হাতে রয়েছে কাবাঘরের চাবি। তবে প্রথম আমলের তালা যেমন এখন আর নেই, চাবিও নেই। তবে বর্তমানটির পাশাপাশি পুরান আমলের অনেক চাবি এখনো অত্যন্ত যত্নের সাথে সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে। কাবার বর্তমান চাবিটি ৩৫ সেন্টিমিটার। বিশেষভাবে বানো বাক্সে রাখা হয় এই চাবিটি।
কাবাঘরের একটি পুরাতন চাবি
এমনকি মক্কা বিজয়ের পর অনেক কিছুতে পরিবর্তন হলেও মহানবি (সা.) এই গোত্রের হাতেই কাবাঘরের চাবিটি রেখে দেন। ফলে তারাই কাবাঘরের আনুষ্ঠানিক সেবক।
মক্কা বিজয়ের দিন তাদের কাছ থেকে চাবি নিয়ে কাবাঘরকে পবিত্র করেন। পরে তাদের হাতেই চাবি ফিরিয়ে দেন।
এ সময় তিনি বলেন : ‘হে বনি আবদুদ দুর কিয়ামত পর্যন্ত চির দিনের জন্য এই চাবি গ্রহণ করো। জালেম ছাড়া কেউ তোমাদের কাছ থেকে এই চাবি ছিনিয়ে নেবে না।’
কাবাঘর সংরক্ষণের কাজে নিয়োজিতদের আরবিতে 'সাদালাতুল কাবা' বলা হয়। বনু তালহা গোত্রের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি কাবার চাবি বহন করেন।

Wednesday, September 23, 2015

নামাজ নিয়ে কটাক্ষ করে বিচারের মুখোমুখি ফরাসী রাজনীতিক

মুসলমানদের প্রকাশ্যে নামাজ পড়াকে নাৎসি দখলদারিত্বের সঙ্গে তুলনা করে বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন মেরিন লি পেন নামে এক ফরাসি নারী রাজনীতিক। লি পেনের দল এবং দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর লিয়নের কর্মকর্তারা মঙ্গলবার এ তথ্য জানান।
লিয়নের প্রসিকিউটর অফিস হতে বলা হয়, মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর বৈষম্য উস্কে দেয়ার অভিযোগে লি পেনকে বিচারের সম্মুখীন করা হচ্ছে। লি পেনের বিচারের জন্য অক্টোবরের ২০ তারিখ দিন ধার্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফরাসি নিউজ চ্যানেল ফ্রান্স২৪।
লি পেন আল্ট্রা-কনজারভেটিভ ন্যাশনাল ফ্রন্ট (এফএন) পার্টির নেতৃত্বে রয়েছেন। এটি তার পিতা জাঁ-মারি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
২০১০ সালে একটি জনসভায় তিনি ওই মন্তব্য করেছিলেন। মসজিদ জনাকীর্ণ হওয়ার কারণে ফরাসি মুসলিমদের রাস্তায় নামাজ পড়তে বাধ্য করা হয় বলে তিনি তার বক্তৃতায় উল্লেখ করেন। তিনি তার বক্তৃতায় আরো বলেন, ‘আমরা যদি পেশার বিষয়ে কথা বলি, তাহলে আমরা রাস্তায় নামাজ সম্পর্কে বলতে পারি। কারণ এটি নিশ্চিতভাবেই একটি আঞ্চলিক পেশা।’ তিনি আরো বলেন, ‘কোন ট্যাংক নেই, কোন সৈন্য নেই, তথাপিও এটি একটি পেশা এবং এটি মানুষের উপর জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।’
লি পেনের এই মন্তব্যের প্রাথমিক তদন্ত ২০১১ সালে বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু পরের বছর দেশটির একটি মানবাধিকার গ্রুপের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আবার শুরু হয়। লি পেন এই বিচারকে একটি কলঙ্ক বলে অভিহিত করে এর নিন্দা জানান।