Showing posts with label দক্ষিণ ধুরুং. Show all posts
Showing posts with label দক্ষিণ ধুরুং. Show all posts
Friday, November 21, 2014
কক্সবাজার জেলার সেরা চেয়ারম্যানের সম্মাননা অর্জনে কুতুবদিয়ায় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ সংবর্ধিত by জেসমিন আখতার


উপজেলার
দক্ষিণ ধূরুং ইউপির সফল চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আলাউদ্দিন আল-আজাদকে
গন-সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ব্যক্তিত্ব স্মৃতি পরিষদ
কর্তৃক কক্সবাজার জেলার সফল চেয়ারম্যান ও সমাজসেবক হিসেবে শের-ই-বাংলা
এ.কে.ফজলুল হক সম্মাননা-২০১৪ লাভ করায় স্বত:স্ফূর্তভাবে এলাকাবাসীর
বর্নাঢ্য আয়োজনে তাকে এ বিশাল সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। প্রবীণ আলেমেদ্বীন
মাওলানা মোছলেহ্ উদ্দিনের সভাপতিত্বে শুক্রবার ধূরুং হাইস্কুল ময়দানে
অনুষ্টিত সভায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির
হায়দার প্রধান অতিথি ছিলেন। অনুষ্টানে এলাকার সর্বস্তরে মানুষ সংবর্ধিত
অতিথিকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করেন। রাজাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের
প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ ছলিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সভায় রাজনীতিক ও
সমাজসেবক মুহাম্মদ তাহের, ধূরুং হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোরশেদুল আলম,
সতরুদ্দীন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শুক্কুর আলম আজাদ, লেমশীখালী
হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আবু ইউসুফ, কুতুবদিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ
সম্পাদক সাংবাদিক হাছান কুতুবী, প্রবীণ শিক্ষক আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান,
মাষ্টার ফরিদুল আলম, ধূরুং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
সরওয়ার আলম, স্থানীয় ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি মোতাহের হোছাইন, মাষ্টার জয়নুল
আবেদীন, মাষ্টার আবুল হোছাইন, ইউনিয়ন পরিষদের সকল সদস্য ও এলাকার গন্যমান্য
ব্যক্তিগণ বিশেষ অতিথি ছিলেন। এতে মাষ্টার নুরুল আবছার কুতুবী, মাদ্রাসা
সুপার মাহফুজুর রহমান ও মাষ্টার মোস্তান মাহমুদ বক্তব্য রাখেন। সংবর্ধিত
চেয়ারম্যান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তার অর্জিত সম্মাননা এলাকাবাসীর প্রতি
উৎসর্গ করেন। শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্টান পরিবেশিত হয়।
Friday, July 18, 2014
কুতুবদিয়ায় দু’টি সড়কের বেহাল দশা ধুরুং জেটিতে ৫ বছর ধরে পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ by এম.এ মান্নান
কুতুবদিয়া ধুরুং জেটি ঘাটে পণ্য ওঠা-নামা
হয়না ৫ বছর ধরে। জেটিতে যাত্রী ওঠা-নামা করলেও চট্টগ্রাম কিংবা কক্সবাজার
থেকে বোট যোগে ব্যবসায়িরা মালামাল এনেও খালাস করেন না এই ঘাটে।ফলে জেটি
মূলত: অকেজো হয়ে পড়ছে দিন দিন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ধুরুং জেটিঘাটে শুধু যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় মালবাহি ট্রলি কিংবা যানবাহন যেতে পারেনা এইঘাটে। ধুরুংবাজার টু সতরুদ্দীন রোডে য্নাবাহন চলেনা কয়েক বছর যাবত। ৫ কিলোমিটার দূরত্বের এই সড়কটি সংস্কারের অভাবে রিকসা পর্যন্ত চলেনা এখন। একই ভাবে ধুরুংবাজার টু মিরাখালী সড়কে পেয়ারাকাটা পর্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করলেও সেখান থেকে বেড়িবাধঁ হয়ে ধুরুংঘাট পর্যন্ত যানবাহন চলেনা। মাত্র আধা কিলোমিটার কাচাঁরাস্তা যানবাহন চলাচলের অন্তরায় হয়ে আছে।
ধুরুং জেটিঘাটে যাতায়াতের দু‘টি সড়কের বেহাল দশায় মালবাহি ট্রলি চলাচল করছেনা। যে কারণে জেটি থাকলেও পন্য খালাস সম্ভব হচ্ছেনা। প্রতিদিন ধুরুংবাজারের অন্তত: চার‘শ ছোট-বড় ব্যবসায়িদের চট্টগ্রাম থেকে বোট যোগে মালামাল দরবার জেটিঘাটে খালাস করে ৭ কিলোমিটার ঘুরে ধুরুংবাজারে নিয়ে আসতে হচ্ছে। ঘাটের মালামাল পরিবহনে ট্রলি শ্রমিক বলেন,ধুরুং জেটি ঘাটে ব্যবসায়িদের পণ্য খালাস হয়না ৫ বছর ধরে। ফলে দরবার জেটিতে মাল খালাস করে ৭ কি.মিটার ঘুরে বাজারে পণ্য নেয়া হচ্ছে।
মালামাল পরিবহনের মাঝি বধির চন্দ্র দাস বলেন, ধুরুং জেটিতে পণ্য খালাস হয়না প্রায় ৪/৫ বছর। মালবাহি ট্রলি চলেনা। এ ছাড়া দরবার জেটি ঘাটে পণ্যের অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়। প্রতি বস্তাকাচা মারিচ ১৫ টাকা,ঔষধের কার্টন ১০০ থেকে ২০০ টাকা। আটা,ময়দা, চাউল সব পণ্যের জেটি মাশুল বেশি দিতে হয়।প্রতি দিন গড়ে শুধু ধুরুং বাজারের ব্যবসায়িদের ২০-২৫ টি ট্রলি মালামাল যাচ্ছে। ধুরুং জেটির চেয়ে কয়েকগুণ খরচ বেশি পড়ে দরবার জেটি দিয়ে পরিবহন করলে।ধুরুং বাজারে যমুনা অয়েল কোম্পানীর ডিলার এস.এম মন্জুর আলম,হার্ডওয়ার ও আরএফএল ডিলার এম.শওকত আলম,মুদি ব্যবসায়ি বাবু চিত্ত রঞ্জন বিশ্বাস,কসমেটিক্স ব্যবসায়ি নেজাম উদ্দিন বলেন,ধুরুং জেটিঘাট সড়কে পরিবহন সুবিধা না থাকায় ৭ কিলোমিটার অদূরে দরবার জেটিতে তাদের পন্য খালাস করে মালামাল নিয়ে আসতে হচ্ছে। এতে সময় ও পরিবহন খরচ উভয়ই বেশি যাচ্ছে ।পেয়ারাকাটা থেকে ধুরুং জেটি পর্যন্ত মাত্র আধা কিলোমিটার রাস্তা ইটসলিন করার দাবি জানান তারা।
ধুরুং জেটি ঘাটের ইজারাদার বদি আলম বলেন, বর্তমানে জেটিতে শুধু যাত্রী ওঠা-নামা করে থাকে। পণ্য খালাস হয়না ৫ বছর যাবত। গত পাঁচ বছরে জেটি ইজারায় তার প্রায় ৭ লক্ষ টাকা লোকসান গুণতে হয়েছে। বছরে ৪/৫ লক্ষ টাকা ইজারা নিয়ে লাভের মুখ দেয়া যায়না। পণ্য পরিবহনে ট্রলি বা ট্রাক যাতায়াত করতে পারেনা সড়কের বেহাল দশা- সংস্কারের অভাবে।বছরের পর বছর এ ভাবেই চলছে সংস্কার বিহীন গুরুত্ব পূর্ণ রাস্তা দু‘টি। যে কারণে জেটি ইজারা নিয়েও তাকে প্রতিবছর লোকসান গুনতে হচ্ছে।তিনিও পেয়ারাকাটা থেকে ধুরুং জেটি পর্যন্ত অন্তত: ইটসলিন করার দাবি জানান।
Monday, April 21, 2014
ধুরুং জীপ ষ্টেশনে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি চরমে by এম.এ মান্নান
কুতুবদিয়া ধুরুং বাজার জীপ ষ্টেশনে ব্যস্ত
সড়কে নর্দমার পানিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জানবাহন সহ সাধারণ
পথচারীদের চলাচল দুষ্কর হয়ে পড়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ভূক্তভোগীরা
জানান,উপজেলার অন্যতম ব্যবসা কেন্দ্র ধুরুং বাজার জীপ ষ্টেশন এলাকায়
স্থানীয় ধুরুং হাই স্কুল ও ধুরুং স.প্রা.বিদ্যালয়ের নলকুপের পানি নর্দমা
দিয়ে ব্যস্ত সড়কে গড়িয়ে পড়ছে প্রতিনিয়ত।
Thursday, April 17, 2014
ধুরুং স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার‘র নির্মাণ কাজ অর্থাভাবে বন্ধ
কুতুবদিয়ায় অর্থের অভাবে ধুরুং স্কুল কাম
সাইক্লোন শেল্টার‘র নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে আছে। এক কোটি ১৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে
জেলা শিক্ষ প্রকৌশল অধিদপ্তর এটি বাস্তবায়ন করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র
জানিয়েছে।ধুরুং হাই স্কুল সুত্র জানায়,ধুরুং হাই স্কুল ষ্টেডিয়াম সংলগ্ন
স্থানে গত বছরের(২০১৩) অক্টোবরে স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টারের নির্মাণ কাজ
শুরু করা হয়। নির্মাণ কাজের প্রায় ৬৫ ভাগ শেষ হলেও গত দেড় মাস যাবৎ নির্মাণ
কাজ বন্ধ রেখেছেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।যে কারণে নির্দিষ্ট সময়ে স্কুল কাম
সাইক্লোন শেল্টারটি নির্মাণ শেষ হবে কিনা সংশয় প্রকাশ করছেন অনেকে। ধুরুং
হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোর্শেদুল আলম বলেন,শেল্টার নির্মাণ কাজ বন্ধ
রয়েছে প্রায় দু‘মাস ধরে।বিদ্যালয়ে বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বেড়ে
যাওয়ায় কক্ষের সংকুলান হচ্ছেনা। স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টারটি দ্রুত
নির্মাণ হলে এ সমস্যা দূর হতো।উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে প্রযোজনীয়
পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান তিনি।

শেল্টারটি নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স খোরর্শেদ আলম‘র স্বত্বাধিকারি খোরশেদ আলম বলেন,ধুরুং স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মার্ণ কাজ প্রায় ৭০ ভাগ শেষ হয়েছে। ৭৬ লক্ষ টাকা তিনি ইতিমধ্যে খরচ করেছেন। বিল পেয়েছেন মাত্র ১২ লক্ষ টাকা। আর্থিক সমস্যায় কাজ আপাতত: বন্ধ রাখতে হয়েছে। তবে জুনের আগেই আবার তিনি কাজ শুরু করবেন বলে জানান।
জেলা নির্বাহি প্রকৌশলী(শিক্ষা) সমীর কুমার রজক দাস ধুরুং স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন,ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজের অগ্রগতি হিসেবে প্রয়োজনীয় অর্থ পাননি এটা ঠিক। ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার বিল বকেয়া হয়েছে। ঠিকাদারের বকেয়ার পরিমাণ প্রায় অর্ধ কোটি-এটা ঠিক নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবে আগামী জুনের আগেই বরাদ্ধ পাবেন বলে আশা করছেন। যত দ্রুত সম্ভব নির্মাণ কাজ শুরু করে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে বলে জানান।

শেল্টারটি নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স খোরর্শেদ আলম‘র স্বত্বাধিকারি খোরশেদ আলম বলেন,ধুরুং স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মার্ণ কাজ প্রায় ৭০ ভাগ শেষ হয়েছে। ৭৬ লক্ষ টাকা তিনি ইতিমধ্যে খরচ করেছেন। বিল পেয়েছেন মাত্র ১২ লক্ষ টাকা। আর্থিক সমস্যায় কাজ আপাতত: বন্ধ রাখতে হয়েছে। তবে জুনের আগেই আবার তিনি কাজ শুরু করবেন বলে জানান।
জেলা নির্বাহি প্রকৌশলী(শিক্ষা) সমীর কুমার রজক দাস ধুরুং স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন,ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজের অগ্রগতি হিসেবে প্রয়োজনীয় অর্থ পাননি এটা ঠিক। ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার বিল বকেয়া হয়েছে। ঠিকাদারের বকেয়ার পরিমাণ প্রায় অর্ধ কোটি-এটা ঠিক নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। তবে আগামী জুনের আগেই বরাদ্ধ পাবেন বলে আশা করছেন। যত দ্রুত সম্ভব নির্মাণ কাজ শুরু করে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে বলে জানান।
Sunday, March 23, 2014
লেমশীখালী, তেলিরকাটা, বাঁকখালী ও দক্ষিণ ধুরুং কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ
সাগরদ্বীপ কুতুবদিয়া উপজেলায় চারটি
কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করেছে প্রশাসন। নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে
চেয়ারম্যান প্রার্থী মনজুর আলম সিকদার ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রমিজ
আহমদের সমর্থকদের ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই ও ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে
ঢুকিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোলযোগ দেখা দিলে প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত
নেয়।
Monday, September 23, 2013
বন্যা নিয়ন্ত্রন গাইড ওয়াল নির্মাণের ৬ মাসের মাথায় ভেঙে গেছে
কুতুবদিয়ায় গ্রামীন অবকাঠামো
রক্ষণাবেক্ষনের জন্য কুতুবদিয়া উপজেলার দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের কিলোমিটার
সড়কের বন্যা নিয়ন্ত্রিন গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ায় পথচারীরা চলাচলে মারাত্মক
দূর্ভোগ পোহাচ্ছে।

উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর অর্থায়নে বরাদ্দের কাজ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় (এলজিইডি) কুতুবদিয়া উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে প্রক্কলন তৈরী করে নির্মিত দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল নির্মানের ৬ মাসের মাথায় ভেঙে যাওয়ায় ঐ এলাকার প্রায় দুই হাজার পথচারীর চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপির সদস্য মোক্তার আহমদ মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর ) কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নিকট কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোহামদ মহসীন জানান, গত ২০১১-১২ অর্থ বছরের উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর অর্থায়নে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য প্রায় ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ৮০ ফুট লম্বা গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়।
গত শুস্ক মৌসুমে গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়। চলতি বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানির স্রোতের চাপে গাইড ওয়ালের পাশের মাটি সরে যাওয়ায় ওয়ালটি ভেঙে পড়ে। অবশ্য রাস্তার গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ার ঐ এলাকায় পূণমেরামত করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হবে।
স্থানীয় ইউপির সদস্য মোক্তার আহমদ বলেন, গত বৈশাখ মাসের শুস্ক মৌসুমে কিলোমিটার রাস্তায় বন্যা নিয়ন্ত্রন গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়।
কাজের গুণগতমান নিম্নমানের ইট,বালি ও সিমেন্ট কম ব্যবহার করায় নির্মাণের ৬ মাসের মাথায় গাইড ওয়ালটি ভেঙে যায়।
বর্তমানে এ রাস্তায় দিয়ে পথচারীদের যাতায়াতের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ প্রকল্পের ঠিকাদার মৌলভী ইলিয়াছ জানান, স্থানীয় জনগনের সহযোগিতায় গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছে। কাজে ক্রুটি ছিলনা। গত ২০১১-১২ অর্থ বছরে ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছে। বন্যার পানির স্রোতের চাপে ওয়ালটি ভেঙে গেছে।

উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর অর্থায়নে বরাদ্দের কাজ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় (এলজিইডি) কুতুবদিয়া উপজেলা প্রকৌশলী অফিস থেকে প্রক্কলন তৈরী করে নির্মিত দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল নির্মানের ৬ মাসের মাথায় ভেঙে যাওয়ায় ঐ এলাকার প্রায় দুই হাজার পথচারীর চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপির সদস্য মোক্তার আহমদ মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর ) কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নিকট কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোহামদ মহসীন জানান, গত ২০১১-১২ অর্থ বছরের উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর অর্থায়নে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের কিলোমিটার সড়কের গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য প্রায় ৭৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ৮০ ফুট লম্বা গাইড ওয়াল নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়।
গত শুস্ক মৌসুমে গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়। চলতি বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানির স্রোতের চাপে গাইড ওয়ালের পাশের মাটি সরে যাওয়ায় ওয়ালটি ভেঙে পড়ে। অবশ্য রাস্তার গাইড ওয়াল ভেঙে যাওয়ার ঐ এলাকায় পূণমেরামত করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হবে।
স্থানীয় ইউপির সদস্য মোক্তার আহমদ বলেন, গত বৈশাখ মাসের শুস্ক মৌসুমে কিলোমিটার রাস্তায় বন্যা নিয়ন্ত্রন গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়।
কাজের গুণগতমান নিম্নমানের ইট,বালি ও সিমেন্ট কম ব্যবহার করায় নির্মাণের ৬ মাসের মাথায় গাইড ওয়ালটি ভেঙে যায়।
বর্তমানে এ রাস্তায় দিয়ে পথচারীদের যাতায়াতের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ প্রকল্পের ঠিকাদার মৌলভী ইলিয়াছ জানান, স্থানীয় জনগনের সহযোগিতায় গাইড ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছে। কাজে ক্রুটি ছিলনা। গত ২০১১-১২ অর্থ বছরে ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছে। বন্যার পানির স্রোতের চাপে ওয়ালটি ভেঙে গেছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
eKutubdia Special
-
হরমুজে এক সপ্তাহে জাহাজ চলাচল কমেছে ২৮ শতাংশ, চলেছে মাত্র ৭৭টি - *আল–জাজিরাঃ* ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সর্বশেষ সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ...2 weeks ago
Recent Posts
Popular Posts
-
কুতুবদিয়ার বাতিঘর এখানে শরতের সকালে যেন অন্য রকম এক আয়োজন চলছে। নদীর বুকে ঠিকরে পড়ছে কোমল আলো। যাত্রীরা পড়িমরি করে উঠছে সমুদ্রগা...
-
স্বপ্নপূরণ হলো না কবিতার। লেখাপড়া শিখে দেশের সেবা করার স্বপ্ন ছিল তার। এ কারণেই পিতার বাড়ি ছেড়ে নানার বাড়ি থেকে লেখাপড়া করতো। কিন্তু ব...
-
সুপ্রিম কোর্টের আপিল রায় রায় পর্যালোচনা করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ রিভিউ আবেদন দায়ের করার জন্য...
-
বাংলাদেশে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি আটক, গ্রেপ্তারের ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে৷ আইনজ্ঞ ও মানবাধিকার কর্মী...
-
ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ার পর ভোলায় জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। গত রোববার পর্যন্ত মাঝারি ও ছোট আকারের ...