Showing posts with label আইন আদালত ও বিচার. Show all posts
Showing posts with label আইন আদালত ও বিচার. Show all posts
Wednesday, January 13, 2016
ছাত্রলীগের সঙ্গে রাস্তায় মিছিলের পরেও রায় লিখছেন বিচারপতি মানিক!
![]() |
| ২৯ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার বাড়ি ঘেরাওয়ে উপস্থিত বিচারপতি মানিক (লাল বৃত্ত চিহ্নিত) -চ্যানেল নাইন |
সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের
নেতাকর্মীদের সঙ্গে রাজপথে মিছিল-সমাবেশ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা
জিয়ার বাড়ি ঘেরাও করতে যাওয়ার পরেও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়
লিখছেন বিতর্কিত সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।
আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ে জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে তা কার্যকরও হয়েছে, সেই দুটি রায় দানকারী বিচারপতিদের অন্যতম ছিলেন বিচারপতি মানিক।
কিন্তু গত ১ অক্টোবর অবসর নেওয়ার পরের মাসেই দেখা যায় বিচারপতি মানিক সেই একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ব্যানারে ফাঁসি হওয়া জামায়াত নেতাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানাচ্ছেন, যেই সংগঠনটি জামায়াত নেতাদের বিচারের দাবিতে রাজনীতিতে প্রায় দুই যুগ ধরে সক্রিয়।
এ অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রয়োজন দাঁড়িয়েছে যে, বিচারপতি মানিক বিচারের নামে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে পক্ষপাত দুষ্টু হয়ে বিরোধী দলীয় নেতাদের ফাঁসি দিয়েছেন কি না।
এমনটি হলে বিচারপতি মানিকের বিচারের প্রশ্নটিও আসবে। আর আবদুল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মাদ কামারুজ্জামানের মামলার মরনোত্তর বিচার ও তাদের পরিবারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করার নৈতিক দায়িত্বও অর্পিত হবে উচ্চ আদালতের উপর।
কিন্তু বিচারপতি মানিকের ব্যাপারে উচ্চ আদালত এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। বরং প্রধান বিচারপতিকে লেখা তার একটি চিঠিতে দেখা যাচ্ছে তিনি ছাত্রলীগের সঙ্গে মিছিল-সমাবেশ করার পরেও আপিল বিভাগের রায় লিখে যাচ্ছেন। সেই রায় লেখতে গিয়ে তিনি সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত বলে অভিযোগ করছেন।
বিচারপতি মানিকের চিঠি থেকে জানা গেছে, অবসরে যাওয়ার পর তিনি আর কোনো রায় লিখতে পারবেন না বলে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি অবসরে যাওয়ার কয়েকদিন পরেই প্রধান বিচারপতি তার অফিস রুমে তালা দিয়ে দিয়েছেন এবং অফিস স্টাফসহ রায় লেখার জন্য একজন বিচারপতি যে সকল অতি প্রয়োজনীয় সুবিধা পেয়ে থাকে, সেসব সুবিধা প্রত্যাহার করেছিলেন।
পরে ডিসেম্বরের শুরুতে বিচারপতি মোঃ আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাসহ আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারপতিদের অনুরোধে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছিলেন, “তিনি ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তার কাছে অপেক্ষমান রায়গুলো লিখতে বা সই করতে পারবেন, এর পরে পারবেন না।”
মানিক জানান, “এরপরে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের শেষে প্রধান বিচারপতি স্টাফ হিসেবে তাকে বি ও পি ও এবং পিওন দিলেও রায় লেখার জন্য কোন অফিস রুম বরাদ্দ দেয়া হয়নি।”
চিঠিতে বিচারপতি মানিক জানান, সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের জন্য বাধ্য হয়ে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের রুমে বসে অনেক প্রতিকূল অবস্থায় অপেক্ষামান রায়গুলো লিখে যাচ্ছেন।
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের রুমে অন্য বিচারপতিরাও অধিকাংশ সময়ে উপস্থিত থাকেন এবং রুমে কোন কম্পিউটার নাই বলে রায় লেখার সুযোগ কম বলে চিঠিতে মন্তব্য করেন অবসরপ্রাপ্ত এই বিচারপতি।
তিনি আরো অভিযোগ করেছেন, গত ১ জানুয়ারি তার বি ও পি ও এবং পিয়নসহ সব স্টাফদের অন্য বিভাগে বদলি করে দেয়া হয়েছে।
“তার লেখা অপেক্ষমান রায়গুলো লেখা সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং সে দায়িত্ব পালনে প্রধান বিচারপতি কোন বাধা তৈরী করতে পারেন না” মন্তব্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির
মানিকের অভিযোগ, তার কাছে অপেক্ষমান রায়গুলো লেখার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে তার সাংবিধানিক অধিকারে প্রধান বিচারপতি হস্তক্ষেপ করেছেন এবং লংঘন করছেন।
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের রায়ে সই করতে না দেয়ার সিদ্ধান্তের কারণে ১৫তম, ১৩তম, ৫ম, ৭ম সংশোধনি মামলার রায়, জেল হত্যা মামলার রায়, মাজদার হোসেন মামলার রায়সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
অবসরপ্রাপ্ত এ বিচারপতি অভিযোগ করেছেন, প্রায় তিন মাস রায় লেখা থেকে বঞ্চিত ছিলেন এবং এবছরের শুরু থেকে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেয়ায় আবার তিনি রায় লেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
কিন্তু তথ্যানুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, বিচারপতি মানিক অবসরে যাওয়ার পর তিনি নিজের এমন রাজনৈতিক অবস্থান দৃশ্যমান করেছেন যে অবসরে যাওয়ার পর তার রায় লেখার সুযোগ দূরে থাক তার বিচারিক ক্ষমতা ভূতাপেক্ষিকভাবে বাতিল হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক চলতি বছরের ১ অক্টোবর অবসর নেন। এরপর গত ২৬ নভেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “জিয়ার বদৌলতে জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীরা সম্পদের পাহাড় গড়েছে। সাকা-মুজাহিদ বলে গেছে, তাদের অর্থের সাম্রাজ্য থেকে গেছে। এ সাম্রাজ্য ব্যয় হবে সন্ত্রাসী কাজে।”
তিনি আরো বলেন, “জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন অনুকূলে রয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত না করলে তা দিয়ে সন্ত্রাস ও লবিস্ট নিয়োগে ব্যবহার করবে। এখনই এ ব্যবস্থা নিতে হবে। এখনই সরকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করলে সংবিধান অনুযায়ী তারা কোনো রিট করার সুযোগ পাবে না।”
সংবাদ সম্মেলনে বিচারপতি মানিক ছাড়াও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সহ-সভাপতি অধ্যাপত মুনতাসির মামুন ও শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এই তিন জন দণ্ডিত জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাক্ষী দিয়েছেন। তারা ১৯৯২ সালে গণআদালতে জামায়াত নেতাদর ফাঁসি ঘোষণার সঙ্গেও জড়িত।
এদিকে গত ২৯ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক।
মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে খালেদা জিয়ার মন্তব্যের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে ছাত্রলীগসহ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন এই ঘেরাওয়ের আয়োজন করে।
এ সময় বিচারপতি মানিক অন্যদের সঙ্গে জয়বাংলা বলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। সেখানে তিনি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বক্তৃতাও করেন।
ওই সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল, সম্পাদক ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী, নাসির উদ্দীন ইউসুফ, শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী প্রমুখ অংশ নেন।
এদিকে গত সোমবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের এক টকশোতে অংশ নিয়ে বিচারপতি মানিক বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশ থেকে বের করে দিয়ে তাকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলেন।
উল্লেখ্য, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বিচারপতি মানিক ১৯৭৮ সালে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
হাইকোর্ট বিভাগে ২০০১ সালের ২ জুলাই অস্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৩ সালের ২ জুলাই পর্যন্ত অস্থায়ী বিচারপতি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থায়ী নিয়োগ না হওয়ার তখন তিনি বিচারপতি পদ থেকে বাদ পড়েন। পরে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে ২০০৯ সালের ২৫ মার্চ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান শামসুদ্দিন চৌধুরী। ২০১৩ সালের ৩১ মার্চ আপিল বিভাগে পদোন্নতি পান তিনি।
হাইকোর্টের বিচারক থাকাকালে সংবিধানের সপ্তম সংশোধনী, কর্নেল তাহেরের গোপন বিচার, বিজিএমইএ ভবন সংক্রান্ত মামলাসহ বহু আলোচিত রায় তার হাত দিয়ে আসে।
একই সঙ্গে সব সময়ই কিছু না কিছু বিতর্ক দিয়ে আলোচনায় থেকেছেন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী। রাষ্ট্রের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি, গণমাধ্যম সম্পাদকরা তার আদালতে গিয়ে কাঠগড়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেছেন। শুনেছেন ভর্ৎসনা ও তীর্যক সব মন্তব্য, যা বিচারপতি বিচারপতি মানিকের পেশাদারিত্বকে করেছে প্রশ্নবিদ্ধ।
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে। লন্ডনে তার নিজের বাড়িও রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা আত্মসাতসহ দুর্নীতির বেশ কিছু অভিযোগও রয়েছে।
আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ে জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে তা কার্যকরও হয়েছে, সেই দুটি রায় দানকারী বিচারপতিদের অন্যতম ছিলেন বিচারপতি মানিক।
কিন্তু গত ১ অক্টোবর অবসর নেওয়ার পরের মাসেই দেখা যায় বিচারপতি মানিক সেই একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ব্যানারে ফাঁসি হওয়া জামায়াত নেতাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানাচ্ছেন, যেই সংগঠনটি জামায়াত নেতাদের বিচারের দাবিতে রাজনীতিতে প্রায় দুই যুগ ধরে সক্রিয়।
এ অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রয়োজন দাঁড়িয়েছে যে, বিচারপতি মানিক বিচারের নামে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে পক্ষপাত দুষ্টু হয়ে বিরোধী দলীয় নেতাদের ফাঁসি দিয়েছেন কি না।
এমনটি হলে বিচারপতি মানিকের বিচারের প্রশ্নটিও আসবে। আর আবদুল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মাদ কামারুজ্জামানের মামলার মরনোত্তর বিচার ও তাদের পরিবারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করার নৈতিক দায়িত্বও অর্পিত হবে উচ্চ আদালতের উপর।
কিন্তু বিচারপতি মানিকের ব্যাপারে উচ্চ আদালত এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। বরং প্রধান বিচারপতিকে লেখা তার একটি চিঠিতে দেখা যাচ্ছে তিনি ছাত্রলীগের সঙ্গে মিছিল-সমাবেশ করার পরেও আপিল বিভাগের রায় লিখে যাচ্ছেন। সেই রায় লেখতে গিয়ে তিনি সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত বলে অভিযোগ করছেন।
বিচারপতি মানিকের চিঠি থেকে জানা গেছে, অবসরে যাওয়ার পর তিনি আর কোনো রায় লিখতে পারবেন না বলে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি অবসরে যাওয়ার কয়েকদিন পরেই প্রধান বিচারপতি তার অফিস রুমে তালা দিয়ে দিয়েছেন এবং অফিস স্টাফসহ রায় লেখার জন্য একজন বিচারপতি যে সকল অতি প্রয়োজনীয় সুবিধা পেয়ে থাকে, সেসব সুবিধা প্রত্যাহার করেছিলেন।
পরে ডিসেম্বরের শুরুতে বিচারপতি মোঃ আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাসহ আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারপতিদের অনুরোধে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছিলেন, “তিনি ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তার কাছে অপেক্ষমান রায়গুলো লিখতে বা সই করতে পারবেন, এর পরে পারবেন না।”
মানিক জানান, “এরপরে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের শেষে প্রধান বিচারপতি স্টাফ হিসেবে তাকে বি ও পি ও এবং পিওন দিলেও রায় লেখার জন্য কোন অফিস রুম বরাদ্দ দেয়া হয়নি।”
চিঠিতে বিচারপতি মানিক জানান, সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের জন্য বাধ্য হয়ে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের রুমে বসে অনেক প্রতিকূল অবস্থায় অপেক্ষামান রায়গুলো লিখে যাচ্ছেন।
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের রুমে অন্য বিচারপতিরাও অধিকাংশ সময়ে উপস্থিত থাকেন এবং রুমে কোন কম্পিউটার নাই বলে রায় লেখার সুযোগ কম বলে চিঠিতে মন্তব্য করেন অবসরপ্রাপ্ত এই বিচারপতি।
তিনি আরো অভিযোগ করেছেন, গত ১ জানুয়ারি তার বি ও পি ও এবং পিয়নসহ সব স্টাফদের অন্য বিভাগে বদলি করে দেয়া হয়েছে।
“তার লেখা অপেক্ষমান রায়গুলো লেখা সাংবিধানিক দায়িত্ব এবং সে দায়িত্ব পালনে প্রধান বিচারপতি কোন বাধা তৈরী করতে পারেন না” মন্তব্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির
মানিকের অভিযোগ, তার কাছে অপেক্ষমান রায়গুলো লেখার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে তার সাংবিধানিক অধিকারে প্রধান বিচারপতি হস্তক্ষেপ করেছেন এবং লংঘন করছেন।
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের রায়ে সই করতে না দেয়ার সিদ্ধান্তের কারণে ১৫তম, ১৩তম, ৫ম, ৭ম সংশোধনি মামলার রায়, জেল হত্যা মামলার রায়, মাজদার হোসেন মামলার রায়সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
অবসরপ্রাপ্ত এ বিচারপতি অভিযোগ করেছেন, প্রায় তিন মাস রায় লেখা থেকে বঞ্চিত ছিলেন এবং এবছরের শুরু থেকে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করে দেয়ায় আবার তিনি রায় লেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
কিন্তু তথ্যানুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, বিচারপতি মানিক অবসরে যাওয়ার পর তিনি নিজের এমন রাজনৈতিক অবস্থান দৃশ্যমান করেছেন যে অবসরে যাওয়ার পর তার রায় লেখার সুযোগ দূরে থাক তার বিচারিক ক্ষমতা ভূতাপেক্ষিকভাবে বাতিল হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক চলতি বছরের ১ অক্টোবর অবসর নেন। এরপর গত ২৬ নভেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “জিয়ার বদৌলতে জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীরা সম্পদের পাহাড় গড়েছে। সাকা-মুজাহিদ বলে গেছে, তাদের অর্থের সাম্রাজ্য থেকে গেছে। এ সাম্রাজ্য ব্যয় হবে সন্ত্রাসী কাজে।”
তিনি আরো বলেন, “জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন অনুকূলে রয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত না করলে তা দিয়ে সন্ত্রাস ও লবিস্ট নিয়োগে ব্যবহার করবে। এখনই এ ব্যবস্থা নিতে হবে। এখনই সরকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করলে সংবিধান অনুযায়ী তারা কোনো রিট করার সুযোগ পাবে না।”
সংবাদ সম্মেলনে বিচারপতি মানিক ছাড়াও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সহ-সভাপতি অধ্যাপত মুনতাসির মামুন ও শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এই তিন জন দণ্ডিত জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাক্ষী দিয়েছেন। তারা ১৯৯২ সালে গণআদালতে জামায়াত নেতাদর ফাঁসি ঘোষণার সঙ্গেও জড়িত।
এদিকে গত ২৯ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক।
মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে খালেদা জিয়ার মন্তব্যের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে ছাত্রলীগসহ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন এই ঘেরাওয়ের আয়োজন করে।
এ সময় বিচারপতি মানিক অন্যদের সঙ্গে জয়বাংলা বলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। সেখানে তিনি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বক্তৃতাও করেন।
ওই সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির, সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল, সম্পাদক ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী, নাসির উদ্দীন ইউসুফ, শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী প্রমুখ অংশ নেন।
এদিকে গত সোমবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের এক টকশোতে অংশ নিয়ে বিচারপতি মানিক বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশ থেকে বের করে দিয়ে তাকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলেন।
উল্লেখ্য, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বিচারপতি মানিক ১৯৭৮ সালে হাইকোর্টের আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
হাইকোর্ট বিভাগে ২০০১ সালের ২ জুলাই অস্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৩ সালের ২ জুলাই পর্যন্ত অস্থায়ী বিচারপতি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থায়ী নিয়োগ না হওয়ার তখন তিনি বিচারপতি পদ থেকে বাদ পড়েন। পরে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে ২০০৯ সালের ২৫ মার্চ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান শামসুদ্দিন চৌধুরী। ২০১৩ সালের ৩১ মার্চ আপিল বিভাগে পদোন্নতি পান তিনি।
হাইকোর্টের বিচারক থাকাকালে সংবিধানের সপ্তম সংশোধনী, কর্নেল তাহেরের গোপন বিচার, বিজিএমইএ ভবন সংক্রান্ত মামলাসহ বহু আলোচিত রায় তার হাত দিয়ে আসে।
একই সঙ্গে সব সময়ই কিছু না কিছু বিতর্ক দিয়ে আলোচনায় থেকেছেন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী। রাষ্ট্রের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি, গণমাধ্যম সম্পাদকরা তার আদালতে গিয়ে কাঠগড়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেছেন। শুনেছেন ভর্ৎসনা ও তীর্যক সব মন্তব্য, যা বিচারপতি বিচারপতি মানিকের পেশাদারিত্বকে করেছে প্রশ্নবিদ্ধ।
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে। লন্ডনে তার নিজের বাড়িও রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা আত্মসাতসহ দুর্নীতির বেশ কিছু অভিযোগও রয়েছে।
Wednesday, October 14, 2015
রিভিউ আবেদন নিয়ে মুজাহিদের দুই প্রশ্ন by হাবিবুর রহমান
সুপ্রিম
কোর্টের আপিল রায় রায় পর্যালোচনা করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল
আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ রিভিউ আবেদন দায়ের করার জন্য আইনজীবীদেরকে তার
সুনির্দিষ্ট মতামত দিয়েছেন। তিনি রিভিউ আবেদনে গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রশ্ন
উত্থাপন করেছেন।
প্রশ্ন দুটি হলো
প্রথম প্রশ্ন : মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেরায় স্পষ্টভাবে স্বীকার করেছেন যে, রাজাকার, আলবদর, শান্তি কমিটি কোন তালিকায় মুজাহিদের নাম নেই। হঠাৎ করে ৪২ বছর পর কিভাবে তিনি আলবদরের কমান্ডার হয়ে গেলেন? তিনি আলবদর কমান্ডার হলেন কি করে?
দ্বিতীয় প্রশ্ন : ১৯৭১ সালে তিনি ২৩ বছর বয়সের একজন ছাত্র ছিলেন। একজন ছাত্র কিভাবে আধা-সামরিক বাহিনীর কমান্ডার হতে পারেন? কে কখন কোথায় তাকে এই পদে নিয়োগ দিলেন এই মর্মে রাষ্ট্রপক্ষ কোনো মৌখিক বা দালিলিক সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে পারেনি।
আজ মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সাথে তার পাঁচ আইনজীবীর সাক্ষাতে রিভিউ আবেদনে এই দুটি প্রশ্ন রাখার পরামর্শ দেন।
মুজাহিদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো: শিশির মনির বলেন, তার এই মতামতগুলো পুনর্বিবেচনার আবেদনে (রিভিউ পিটিশন) অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং আগামীকাল সকালে মহামান্য আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিভিউ পিটিশনটি দায়ের করা হবে।
তিনি বলেন, মুজাহিদ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি মনে করেন মহামান্য আপিল বিভাগ তার পুনর্বিবেচনার আবেদনটি মঞ্জুর করবেন এবং দন্ড মওকুফ করে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন।
তিনি দেশবাসীকে সালাম জানিয়েছেন, সবার দোয়া চেয়েছেন।
প্রশ্ন দুটি হলো
প্রথম প্রশ্ন : মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেরায় স্পষ্টভাবে স্বীকার করেছেন যে, রাজাকার, আলবদর, শান্তি কমিটি কোন তালিকায় মুজাহিদের নাম নেই। হঠাৎ করে ৪২ বছর পর কিভাবে তিনি আলবদরের কমান্ডার হয়ে গেলেন? তিনি আলবদর কমান্ডার হলেন কি করে?
দ্বিতীয় প্রশ্ন : ১৯৭১ সালে তিনি ২৩ বছর বয়সের একজন ছাত্র ছিলেন। একজন ছাত্র কিভাবে আধা-সামরিক বাহিনীর কমান্ডার হতে পারেন? কে কখন কোথায় তাকে এই পদে নিয়োগ দিলেন এই মর্মে রাষ্ট্রপক্ষ কোনো মৌখিক বা দালিলিক সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে পারেনি।
আজ মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের সাথে তার পাঁচ আইনজীবীর সাক্ষাতে রিভিউ আবেদনে এই দুটি প্রশ্ন রাখার পরামর্শ দেন।
মুজাহিদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো: শিশির মনির বলেন, তার এই মতামতগুলো পুনর্বিবেচনার আবেদনে (রিভিউ পিটিশন) অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং আগামীকাল সকালে মহামান্য আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিভিউ পিটিশনটি দায়ের করা হবে।
তিনি বলেন, মুজাহিদ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি মনে করেন মহামান্য আপিল বিভাগ তার পুনর্বিবেচনার আবেদনটি মঞ্জুর করবেন এবং দন্ড মওকুফ করে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন।
তিনি দেশবাসীকে সালাম জানিয়েছেন, সবার দোয়া চেয়েছেন।
Wednesday, September 23, 2015
বাসেত মজুমদার বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান, আমীরের পদত্যাগের ঘোষণা
বাংলাদেশ
বার কাউন্সিলের নতুন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সিনিয়র আইনজীবী
অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার। গতকাল বিকালে বার কাউন্সিলের প্রথম বৈঠকে
তিনি নির্বাচিত হন। গত ২৬শে আগস্ট বার কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ১৪টি পদের মধ্যে সরকার সমর্থকরা ১১টি এবং বাকি তিনটিতে বিএনপি সমর্থকরা
জয়লাভ করেন। গতকালের বৈঠকে ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন না।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে
আলম। বাসেত মজুমদার এর আগেও বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকও ছিলেন। বাসেত মজুমদার
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য।
ওদিকে, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবদুল বাসেত মজুমদার ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় বার কাউন্সিল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম। ১৫ সদস্যের কাউন্সিলের প্রথম সভায় অনুপস্থিত ব্যারিস্টার আমীর রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, গতকাল (সোমবার) আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুনের বাসায় এক সভায় আমাকে ভাইস চেয়ারম্যান করার সিন্ধান্ত হয়। এ সময় আইনমন্ত্রী তাকে (সাহারা খাতুন) টেলিফোনে বলেন, যিনি বেশি ভোট পেয়েছেন, তিনি ভাইস চেয়ারম্যান হবেন। বার কাউন্সিলের উষালগ্ন থেকেই যিনি প্যানেলের নেতৃত্বে থাকেন তিনিই ভাইস চেয়ারম্যান হয়ে আসছেন, এটা প্রচলিত রীতি। এ অবস্থায় আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুমোদনের জন্য চিঠিও পাঠিয়েছি।
ওদিকে, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবদুল বাসেত মজুমদার ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় বার কাউন্সিল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম। ১৫ সদস্যের কাউন্সিলের প্রথম সভায় অনুপস্থিত ব্যারিস্টার আমীর রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, গতকাল (সোমবার) আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুনের বাসায় এক সভায় আমাকে ভাইস চেয়ারম্যান করার সিন্ধান্ত হয়। এ সময় আইনমন্ত্রী তাকে (সাহারা খাতুন) টেলিফোনে বলেন, যিনি বেশি ভোট পেয়েছেন, তিনি ভাইস চেয়ারম্যান হবেন। বার কাউন্সিলের উষালগ্ন থেকেই যিনি প্যানেলের নেতৃত্বে থাকেন তিনিই ভাইস চেয়ারম্যান হয়ে আসছেন, এটা প্রচলিত রীতি। এ অবস্থায় আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুমোদনের জন্য চিঠিও পাঠিয়েছি।
Subscribe to:
Posts (Atom)
eKutubdia Special
-
গাজায় ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ১০, মোট মৃত্যু ৭৩,৪১৭ - গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ১০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত সর্বশে...1 minute ago
Recent Posts
Popular Posts
-
কুতুবদিয়ার বাতিঘর এখানে শরতের সকালে যেন অন্য রকম এক আয়োজন চলছে। নদীর বুকে ঠিকরে পড়ছে কোমল আলো। যাত্রীরা পড়িমরি করে উঠছে সমুদ্রগা...
-
স্বপ্নপূরণ হলো না কবিতার। লেখাপড়া শিখে দেশের সেবা করার স্বপ্ন ছিল তার। এ কারণেই পিতার বাড়ি ছেড়ে নানার বাড়ি থেকে লেখাপড়া করতো। কিন্তু ব...
-
বাংলাদেশে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি আটক, গ্রেপ্তারের ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে৷ আইনজ্ঞ ও মানবাধিকার কর্মী...
-
সুপ্রিম কোর্টের আপিল রায় রায় পর্যালোচনা করে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ রিভিউ আবেদন দায়ের করার জন্য...
-
ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ার পর ভোলায় জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়ছে। গত রোববার পর্যন্ত মাঝারি ও ছোট আকারের ...


